Posts

Showing posts with the label গল্পকথন

অনুবাদ সাহিত্যের গুরুত্ব

Image
অনুবাদ বলতে বোঝায় এক ভাষা থেকে অন্য ভাষার রূপান্তরিত করা। জন্মগত ভাবে আমরা বাঙালি তাই আমাদের ভাষা বাংলা। বাংলা ভাষা ছাড়া আমাদের অন্য ভাষা তেমন বোধগম্য নয়। ইংরেজী ভাষা আন্তর্জাতিক ভাষা হওয়াতে সারা পৃথিবীর লোক কম বেশি ইংরেজী ভাষা বুঝে। এই পৃথিবীতে হাজার হাজার ভাষা রয়েছে। অন্য ভাষার সাহিত্য পড়তে হলে আমাদের অনুবাদ করতে হবে। অন্য ভাষার সাহিত্য রূপান্তরিত করলে সেই দেশের সাহিত্য সম্পর্কে জানা যায়। সেই দেশের সংস্কৃতি ইত্যাদি  সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। অন্য দেশের গল্প,কবিতা,উপন্যাস ইত্যাদি সম্পর্কে অবগত হওয়া যায়। সাহিত্যে মিশে আছে অন্যরকম অনুভব। আমরা কমবেশি অনেকেই ইংরেজী অনুবাদ করতে জানি। তাই ইংরেজী সাহিত্য সহজে পড়তে পারী। ধন্যবাদ

মীর মোশারফ হোসেন

Image
১৮৪৭ সালে ১৩ নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলার লাহিনীপাড়ায় মীর মশারফ হোসেনের  তার জন্ম। পিতা মীর মোয়াজ্জেম হোসেন। তিনি ছিলেন জমিদার। মায়ের নাম দৌলতুন্নেসা।  মোশাররফ হোসেন তার পিতার জমিদারি দেখাশোনা করেন। এরপর তিনি ফরিদপুর নবাব এস্টেটে চাকরি নেন। ১৮৮৫ সালে দেলদুয়ার এসিস্টের ব্যবস্থাপক হন। তাঁর লেখা প্রায় ৩৪ খানা বই প্রকাশ হয়েছে। তিনি অনেক রকম অসাধারণ  সাহিত্য,উপন্যাস,গ্যন্থ রচনা করেন। তাঁর  লেখা জনপ্রিয় ও উল্লেখ যোগ্য উপনাস " বিষাদ সিন্ধু"। তিনি দুই বার বৈবাহিক বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন।  তাঁর  প্রথম স্ত্রী আজীজ  উন নিসার(১৮৬৫)।  দ্বিতীয় স্ত্রী  বিবি কুলছুম (১৮৭৪)। তিনি দীর্ঘ চল্লিশ বছরের সাহিত্যজীবন অতিবাহিত করেন। ধন্যবাদ।

কবি আব্দুল হাকিম

Image
  কবি আবদুল হাকিম আনুমানিক ১৬২০ খ্রিষ্টাব্দে নোয়াখালী জেলার বাবুপুর মতান্তরে চট্টগ্রাম জেলার সন্দ্বীপের সুধারামপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন মধ্যযুগের এক বিখ্যাত কবি। তিনি বাংলা সহ আরবী,ফারসি ও অন্যান্য ভাষায় পারদর্শী ছিলেন। তিনি বাঙ্গালী হয়ে অনেক গর্ব বোধ করতেন। নুরনামা ছিল তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। তার উল্লেখযোগ্য গন্থ্যগুলো হলো ইউসুফ-জুলেখা, লালমতি, সয়ফুলমুলুক, শিহাবুদ্দিননামা, নসীহতনামা, কারবালা ও শহরনামা। তার লিখা গ্রন্থ্যগুলো হল ইউসুফ-জুলেখা,নূরনামা চারি মোকাম ভেদ,কারবালা ও শহরনামা। কবি আব্দুল হাকিম ১৬৯০ খ্রিষ্টাব্দে ৭০ বৎসর বয়সে ইন্তেকাল করেন। ধন্যবাদ

পল্লী কবি জসীম উদ্দিন।

Image
কবি উসীম উদ্দিনকে পল্লী কবি বলা হত। তিনি একজন কবি,গীতিকার ও ঔপন্যাসিক ছিলেন। কবি জসীমউদ্দিন ১৯০৩ সালের ১ লা জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পুরো নাম হল মোহাম্মদ জসীমউদ্দিন মোল্লা। তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা লাভ করেন। এরপর ঢাকা  বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি  বাংলা বিভাগে ৫ বছর শিক্ষকতা করেছিলেন। তিনি অনেক অসাধারণ গল্প,কবিতা ইত্যাদি রচনা করেন। তাঁর অবদানের জন্য তাঁকে অনেক ভাবে পুরস্কৃত করা হয়। নকশি কাথাঁর মাঠ এবং সোজন বাদিয়ার খাট তার অন্যতম লিখা কবিতা।  তার অর্জিত পুরষ্কার গুলি হল: প্রেসিডেন্ট প্রাইড অফ পারফরম্যান্স,মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরষ্কার,বাংলাদেশ সরকারের একুশে পদক, বাংলা একাডেমি থেকে স্বাধীনতা পুরষ্কার। সবশেষে ১৩ই মার্চ ১৯৭৬ সালে বাংলার এই পল্লিকবির মৃত্যু হয়। ধন্যবাদ

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

Image
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়  জন্ম হয় ১৮৯৪ সালের ১২ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার মুরারিপুর গ্রামে। তার পৈত্রিক নিবাস ছিল চব্বিশ পরগনার ব্যারাকপুর গ্রামে। তিনি খুব মেধাবী একজন ছাত্র ছিলেন। ১৯১৪ সালে মাধ্যমিক পরীক্ষা দেন। ১৯১৬ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দেন। দুটোতেই প্রথম বিভাগ অর্জন করেন। তিনি একজন শিক্ষিত ছিলেন। এবং বহুদিন সাহিত্য সাধনা করেছিলেন। তার দুটি বিখ্যাত উপন্যাস হল অপরাজিতা এবং  পথের প্যাঁচালি।  এছাড়াও ইছামতি,দেবযান,দৃষ্টিপ্রদীপ ইত্যাদি রয়েছে।  আর গল্পের মধ্যে আছে  যাত্রাবদল,মেঘমল্লার ইত্যাদি। তিনি ১৯৫০ সালের ১ সেপ্টেম্বর  মৃত্যুবরণ করেন। ধন্যবাদ

পল্লীকবি জসীম উদ্দিন।

Image
জসীম উদ্দিনের জন্ম হয় ১৯০৩ খ্রিষ্টাব্দের পহেলা জানুয়ারি ফরিদপুরের তাম্বুলখানা গ্রামে। তার পিতার নাম আনসার উদ্দীন মোল্লা।  মায়ের নাম আমিনা খাতুন।  তার গ্রামের বাড়ি হল ফরিদপুরের গোবিন্দপুর গ্রামে।  তাঁকে পল্লী কবিও বলা হয়। জসীম উদ্দীন ফরিদপুর রাজেন্দ্র কলেজ হতে বিএ পাশ  করেন। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে এমএ পাশ করেন।কলেজে পড়াকালীন সময়ে তিনি কবিতা রচনার জন্য খ্যাত হয়েছিলেন। কলেজে অধ্যয়নকালে তিনি কবর কবিতা রচনা করে খ্যাতি অর্জন করেন। তার বিখ্যাত কাব্যগুলোর মধ্যে  নকশিকাঁথার মাঠ কাব্যটি বিভিন্ন বিদেশি ভাষায় রচিত হয়েছিল। ধানক্ষেত,বালুচর,সুজন বাদিয়ার ঘাট ইত্যাদি হল তাঁর অনন্যা রচিত গ্রন্থ। পল্লীকবি জসীম উদ্দিন ১৯৭৬ খ্রিষ্টাব্দের ১৪ মার্চ ঢাকায় মৃত্যু বরণ করেন। ধন্যবাদ।